ব্লাড ক্যান্সারের ৫টি প্রধান লক্ষণ - ব্ল্যাক ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায়

ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ এবং ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায় সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন হতে পারে। যারা ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ এবং ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায়ে সম্পর্কে জানতে গুগলে সার্চ করেছেন তারা সঠিক জায়গায় এসেছেন।

ব্লাড ক্যান্সারের ৫টি প্রধান লক্ষণ

আজকের এই আর্টিকেলটি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়লে ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ এবং ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন।তাহলে চলুন ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ ও ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায় সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে নিন।

সূচিপত্রঃ ব্লাড ক্যান্সারের ৫টি প্রধান লক্ষণ - ব্ল্যাক ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায়

ব্লাড ক্যান্সার কি

অনেক মানুষ ব্লাড ক্যান্সারে ভুগে থাকে। তাই ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ এবং ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায় সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ব্লাড ক্যান্সার কি এ বিষয়ে আপনাদের জানাবো।

ব্লাড ক্যান্সার একটি জটিল ও ভয়াবহ রোগ। এ রোগে মানুষ অনেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকে। আমাদের শরীরে যে রক্ত রয়েছে সেটি তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়। যার একটি হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা। এই ব্লাড ক্যান্সার হল আমাদের শরীরের তিনটির মধ্যে একটি রক্ত কণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।

আরো পড়ুনঃ ক্যান্সারের লক্ষণ ও প্রতিকার

আর এই রক্ত কণিকা হল শ্বেত রক্তকণিকা। শ্বেত রক্তকণিকা যখন আমাদের শরীরে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি হয় তখন বাকি দুই রক্ত কণিকা লোহিত রক্তকণিকা এবং  অনুচক্রিকা পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এবং এর ফলে আমাদের শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো আস্তে আস্তে প্রকাশ পেতে থাকে।

ব্লাড ক্যান্সার কত প্রকার

 ইতিমধ্যে আমরা ব্লাড ক্যান্সার কি তা জানতে পেরেছি। ব্লাড ক্যান্সার একটি ভয়াবহ মারাত্মক রোগ। যা রক্তের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। আপনার যদি ব্লাড ক্যান্সার হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে জানবেন। আপনার সত্যিই ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তা ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ দেখলেই বুঝতে পারবেন। আমাদের শরীরে ব্লাড ক্যান্সার প্রধানত কত প্রকার হয়ে থাকে তা আপনাদের জানাবো।

ব্লাড ক্যান্সার সাধারণত তিন প্রকারঃ

১। শ্বেত রক্তকণিকা সেল থেকে যে ব্লাড ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়ে থাকে তাকে লিউকেমিয়া ব্লাড ক্যান্সার বলে। এবং  লিউকেমিয়া ব্লাড ক্যান্সার তিন ধরনের হয়ে থাকে।

  • এ কিউট লিমফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া
  • একিউট মাইলো ব্লাস্টিক লিউকেমিয়া
  • ক্রমিক লিমফো সাইটিক লিউকেমিয়া

এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সার হয় যেটা লসিকা গ্রন্থি থেকে সৃষ্টি হয়ে থাকে তাকে লিমফোমা ব্লাড ক্যান্সার বলে। এই ক্যান্সারটি দুই ধরনের।

  • লিমফো ব্লাস্টিক লিফোমা
  • হজকিন ও নন হজকিন লিমফোমা

৩। নাজমা সেল থেকে সৃষ্টি  মাইলোমা ও প্লাজমা সেল লিউকেমিয়া ব্লাড ক্যান্সার।

ব্লাড ক্যান্সার কিভাবে হয়

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ এবং ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০ উপায় সম্পর্কে আপনাদের সামনে বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কে আলোচনা করব। ব্লাড ক্যান্সার কি তাই আমরা আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে জানতে পেরেছি। ব্লাড ক্যান্সার কিভাবে হয় চলুন তাহলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জেনে নেই।

ব্লাড ক্যান্সার মানে রক্তের ক্যান্সার আর এই ক্যান্সারটির সৃষ্টি হয়ে থাকে রক্তের মাধ্যমে। আমাদের শরীরের তিনটি উপাদান দ্বারা রক্ত গঠিত হয়ে থাকে। একটি হল শ্বেত রক্তকণিকা, লোহিত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা।

আমাদের শরীরে যখন শ্বেত রক্ত কণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হয়ে যায় এবং লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি কমে যায়। এবং আমাদের শরীরের রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। তখনই ব্লাড ক্যান্সারের উৎপত্তি হয়।

ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ

ব্লাড ক্যান্সার হলে রোগীর অনেকগুলো লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিয়ে থাকে। অনেকে আছে যাদের ব্লাড ক্যান্সার নিয়ে সন্দেহ হয়ে থাকে তারা ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে জেনে নিশ্চিত হতে পারেন। আপনার ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা। হলে চলুন ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো কি কি তা জেনে নিন।

১। যারা ব্লাড ক্যান্সারের রোগী রয়েছেন তাদের দীর্ঘদিন ধরে একনাগারে শরীরে জ্বর হবে এবং জ্বর ছেড়ে যাবে আবার জ্বর আসবে এ প্রক্রিয়াটি দীর্ঘদিন যাবৎ চলতে থাকবে।

২। শরীরে ব্লাড ক্যান্সার দেখা দিলে আপনার শরীরের রক্ত উৎপাদ লোহিত কনিকা কমে যাবে। এবং শ্বেত লৌহ রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হবে। যার ফলে আমাদের শরীরে জ্বর, ইনফেকশন এবং রক্ত ক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরো পড়ুনঃ স্কিন ক্যান্সারের লক্ষণ - স্কিন ক্যান্সার কেন হয়

৩। ব্লাড ক্যান্সার হলে আমাদের লিভার বড় হয়ে যায়। এ কারণ হলো অস্বাভাবিক শ্বেত রক্তকণিকার বৃদ্ধি।

৪। ক্যান্সার সেল যখন  অস্থিমজ্জার বাইরে চলে যায় তখন হারে প্রচন্ড ব্যথা সৃষ্টি হয়।

৫। ব্লাড ক্যান্সার হলে আমাদের অনেক সময় দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া,  অনিয়মিত মাসিক, কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়া এবং পায়ুপথে রক্তক্ষরণ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

উপরোক্ত ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ প্রধান। এ লক্ষণ গুলো ব্লাড ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ। আপনার যদি এই লক্ষণগুলো শরীরের দেখা দিয়ে থাকে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ

ব্লাড ক্যান্সার হলে অবশ্যই ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ রয়েছে উপরে ইতিমধ্যে আমরা ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো কি কি তা জানতে পেরেছি। এবার আমরা ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ গুলো সম্পর্কে জানব।

দুর্বলতাঃ আমাদের শরীরের যদি ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে প্রথমেই রক্ত শূন্যতার জন্য আমাদের শরীর দুর্বলতা দেখা দিবে। এবং  এ ক্যান্সারের বৃদ্ধি যখন অতিরিক্ত হারে বাড়তে থাকে তখন পায়ুপথে রক্তক্ষরণ হয় এবং দাঁতের মাড়ি দিয়েও রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে।

শরীর ফেকাশে হয়ে যাওয়াঃ ব্লাড ক্যান্সার হলে আমাদের শরীরে রক্তশূন্যতা থাকে তাই এ সময় আমাদের শরীর ফেকাশে আসে হয়ে যায় । এ সময় আমাদের সারা শরীর অনেক ফ্যাকাসে হয়ে যায়। রক্তশূন্যতা ব্লাড ক্যান্সারের একটি প্রাথমিক লক্ষণ।

পায়ে পানি জমাঃ ব্লাড ক্যান্সারের রোগীর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অনেক সময় পায়ে পানি জমে যায়।

বুক ধরফরঃ প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে যারা ব্লাড ক্যান্সারের রোগী রয়েছেন তাদের অল্পতেই বা অল্প পরিশ্রমে বুক ধরফরের সমস্যা দেখা দিবে।

খাওয়াতে অরুচিঃ ব্লাড ক্যান্সারের রোগীর খাওয়াই অরুচি হয়ে থাকে। এটি ব্লাড ক্যান্সার রোগীর প্রাথমিক একটি লক্ষণ।

উপরোক্ত এ লক্ষণগুলো যদি আপনার ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক অবস্থায় দেখা দিয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায়

ব্লাড ক্যান্সার হলে আপনার মৃত্যু অনিবার্য যদি আপনি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না গ্রহণ করেন কিন্তু আপনি যদি প্রাথমিক অবস্থায় ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি বাঁচতে পারেন। ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে ইতিমধ্যে আমরা উপরে আলোচনা করেছি, যা পড়ে আপনারা জানতে পেরেছেন।

ব্লাড ক্যান্সার অনেক ভয়াবহ একটি রোগ, তেমনি আমাদের সকলকে এ রোগটির বিষয়ে সচেতন এবং সাবধান হওয়া জরুরী। এজন্য ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায় সম্পর্কে আপনাদের সামনে আলোচনা করব। আপনারা মনোযোগ সহকারে পড়লে ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে পারবেন।

আমাদের শরীরে কখনোই এমনি এমনি রোগ জন্ম নেয় না নিশ্চয়ই এর পিছে কিছু কারণ রয়েছে গুরুতর ও জটিল একটি রোগ ব্লাড ক্যান্সার। কিন্তু এটি কি কারনে হয়ে থাকে চলুন আগে তা জেনে নিই।

যে সকল কারণগুলোর মাধ্যমে আমাদের শরীরে ব্লাড ক্যান্সারের মত রোগ বাসা বাঁধতে পারে সে সব কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলোঃ

ভেজালযুক্ত খাদ্যঃ বর্তমান সময়ে খাদ্যে অতিরিক্ত ভেজাল থাকার কারণে আমাদের বিভিন্ন রোগ শরীরে জন্ম নেয় তার ভিতরে একটি হল ব্লাড ক্যান্সার। প্যাকেট জাত মাংস দ্রব্য, আর্টিফিশিয়াল সুইটনার, এবং প্যাকেটজাত সব আকর্ষণীয় খাবারে রাসায়নিক রং মিশ্রিত সব উপাদান ক্যান্সারের মূল কারণ।

ফরমালিন যুক্ত খাবারঃ ফরমালিন যুক্ত খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াই কারণ অনেক খাবার দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য খাবারে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। আর এই ফরমালিন ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে।

মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবারঃ যেসব খাবারগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে থাকে সে খাবারগুলো খেলে আমাদের শরীরে নানা রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে তেমনি একটি হলো ক্যান্সার। বাজারে অনেক খাবারই সঠিক সময়ে সেল না হওয়ার কারণে তা ভালোভাবে সংরক্ষণ হয়ে থাকে না যার ফলে মানুষ এ খাবার গুলোর মাধ্যমে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে।

নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণঃ তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যে আসক্ত। সিগারেট , হিরোইন গাজা, মদ বিভিন্ন নেশা দ্রব্য পণ্যগুলোর মাধ্যমে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে চলছে। সিগারেটের গায়েও লেখা থাকে ধুমপান মৃত্যুর কারণ বা ক্যান্সারের কারণ কিন্তু তাও মানুষ বিবেকহীন হয়ে এ নেশা দ্রব্যটি গ্রহণ করে থাকে এবং জেনে শুনে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

আরো পড়ুনঃ গলার ক্যান্সার থেকে বাঁচতে কি করবেন

নিয়মিত জীবন পরিচালনাঃ সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই নিয়মিত জীবন পরিচালনার প্রয়োজন রয়েছে। আপনি যদি সঠিক সময়ে  ঘুম,খাওয়া-দাওয়া না মেনে চলেন তাহলে আপনার শরীরে নানা রোগের আক্রান্ত হতে পারে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

বংশগত কারণঃ আমাদের অনেক এমন রোগ রয়েছে যেটা বংশগত কারণে হয়ে থাকে। তাই এ ক্যান্সার রোগটাও আপনার বংশের যদি কারো হয়ে থাকে তাহলে বংশগত কারণেও আপনার হতে পারে।

ইতিমধ্যে আমরা ব্লাড ক্যান্সারের কারণগুলো আপনাদের সামনে আলোচনা করলাম এখন আমরা ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে কিছু উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবঃ

নিরাপদ খাদ্য গ্রহণঃ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে এবং ক্যান্সারের ঝুড়ি কমাতে আপনাকে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করা অবশ্যই জরুরী। আমাদের সব সময় সুষম ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং বাজারের বিভিন্ন রাসায়নিক রংয়ের দ্রব্য এবং প্যাকেট জাত সকল খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

প্রচুর পরিমানে সবুজ শাকসবজি খেতে হবেঃ সুস্থ সবল থাকতে হলে আমাদের প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। সবুজ শাকসবজি আমাদের বিভিন্ন রোগের পাশাপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্যকারী একটি উপাদান।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমঃ পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম যেমন মানুষকে সুস্থ রাখে, তেমনি ঘুমের ঘাটতি হলো আমাদের শরীরে নানা রোগের বাসা বাঁধতে পারে। অনিয়মিত ঘুমের ফলে এবং ঘুমের ঘাটতি হলে বিভিন্ন অসুখের পাশাপাশি ক্যান্সার রোগেরও সৃষ্টি করতে পারে।

শারীরিক ব্যায়ামঃ ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ রাখে তাই শরীরটা সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে ৩০ মিনিট হাঁটুন। ব্যায়াম বিভিন্ন রোগের পাশাপাশি ক্যান্সারও প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

ব্লাড ক্যান্সারের ৫টি প্রধান লক্ষণ - ব্ল্যাক ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায়ঃ শেষ কথা

প্রিয় পাঠকগণ আজকের এই আর্টিকেলে ব্লাড ক্যান্সার কি? ব্লাড ক্যান্সার কত প্রকার? ব্লাড ক্যান্সার কিভাবে হয়? ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ, ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ, ব্লাড ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ১০টি উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি এই জটিলতম রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে এই আর্টিকেলটি করা উচিত।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ এবং তথ্যমূলক আর্টিকেল আরো জানতে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ফলো করুন। কারণ আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত এ ধরনের তথ্যমূলক আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Skbd IT এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url