গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব - গরমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব এ নিয়ে যদি আপনি চিন্তিত থাকেন তাহলে চিন্তা ছেড়ে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন আজকের এই আর্টিকেলে আমরা গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নেব এ বিষয়ে আপনাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে এসেছি।

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব

গ্রীষ্মকালে আমাদের একটাই ভাবনা থাকে ত্বকের যত্ন তাই গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নেব এ বিষয়ে আমাদের সকলেরই জানা জরুরী। তাহলে আসুন গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব এ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিন।

সূচিপত্রঃ গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব - গরমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব - গরমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায় জেনে নিন

তো আমাদের বাহিরে এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ তাই ত্বকের যত্ন নেওয়া এবং ত্বকের ক্ষতি এড়াতে বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বারোমাসি আমাদের ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরী। শীত, বর্ষা, গ্রীষ্ম বিভিন্ন সময়ে আমাদের ত্বকে বিভিন্ন আদ্রতা দেখা দিয়ে থাকে। গরমে অনেকেই ত্বক নিয়ে চিন্তিত থাকেন তাই আমরা গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব সে বিষয়ে আপনাদের জানাতে এসেছি। চলুন তাহলে গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নিই।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে তাড়াতাড়ি লম্বা হওয়া যায়

১। গরমে প্রথম এবং প্রধান গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল মুখ সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। যখনই আপনি বাইরে থেকে আসবেন তখন ওই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করবেন।

২। এই গরমে বাইরে থাকলে আপনার ত্বকের খোলা অংশ গুলোতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন।

৩। দিনে ব্যবহার করতে হবে ‘ডে ক্রিম’ আর রাতে ব্যবহার করুন ‘নাইট ক্রিম’। ত্বকে এ গরমে লালচে ভাব দূর করতে আইস থেরাপি বা বরফ দিয়ে মাসাজ করা যায়, এতে ক্লান্তি দূর হয়ে ত্বক সতেজ হয়ে উঠবে।

৪। দীর্ঘসময় বাইরে থাকতে হলে ২-৩ ঘণ্টা পর মুখ ধুয়ে নতুন করে সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। ওয়াটার প্রুফ সানস্ক্রিনও ব্যবহার করে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন।

৫। গরমে চোখের নিচের কালচে দাগ দূর করতে রোজ রাতে ঘুমানোর আগে আলুর রস তুলায় লাগিয়ে চোখের কালচে অংশে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে নিন।

৬। গরমে ত্বক সতেজ ও সুস্থ রাখতে উপযোগী ফেসিয়াল গুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেমন: নিম, অ্যালোভেরা, গোল্ড, আপনি গরমে ত্বকের জন্য ফ্রুট ফেসিয়াল ব্যবহার করতে পারেন তবে সেটি ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আরো অনেকে ফ্রুট ফেসিয়ালের কারনে মুখে র‌্যাশ কারণ হতে পারে।

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

গরমে অনেক ত্বক তৈলাক্ত তার সৃষ্টি হয়ে থাকে। গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্নের জন্য বিভিন্ন রকম ফেসিয়াল রয়েছে। এবং গরমে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ব্যবহার রয়েছে বিশেষ ধরনের ক্রিমের। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব সে সম্পর্কে আপনাদের সামনে বিস্তারিত কিছু আলোচনা করছি তাহলে চলুন যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন সে বিষয়ে জেনে নিন।

গরমে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায় যার জন্য ত্বক চেটে চেটে ভাব অনুভূত হয় এবং বিভিন্ন ময়লা জমা হয়। এ তৈলাক্ত ভাব দূর করতে টমেটো এবং শসা ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলেই দারুণ ফল পাওয়া যাবে। টমেটো এবং শসা আলাদা আলাদা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ছেঁকে বরফ জমানো পাত্রে বরফের মতো জমিয়ে নিন।

এরপর সপ্তাহে ৪-৫ দিন শসার কিউব এবং টমেটোর কিউব মুখে আলতো করে ঘষে নিন। টমেটো হলো ন্যাচারাল ব্লিচ যা ত্বক উজ্জ্বল করে এবং ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিয়ে ব্লাক হেডস এবং ব্রণ দূরে রাখে। আর শসা ত্বক পরিষ্কার ও কোমল রাখবে।

প্রতিদিন ত্বকের যত্ন

দৈনন্দিন জীবনে ব্যস্ততার মাঝে আমরা আমাদের ত্বকের যত্ন নিতে ভুলে যায়। যার কারণে আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা দিন দিন ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তাই আমাদের জরুরী প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নেওয়া।পাশাপাশি রোদে পোড়া দাগসহ নানা সমস্যা তো আছেই। তাই ঘরে বসে প্রতিদিন খুব অল্প কিছু হাতের কাছে থাকা উপাদান দিয়ে কীভাবে আপনি আপনার ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন তা আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন।

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব এ বিষয়ে আপনাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলোচনা আমরা করব। কারণ শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা প্রতিটা সময়ে আমাদের ত্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা গিয়ে থাকে। তাই প্রতিদিন ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব এবং গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

প্রতিদিনের ত্বকের যত্নের জন্য রাখতে হবে- ক্লিনজিং, টোনিং আর ময়েশ্চারাইজিং।

ক্লিনজিংঃ ক্লিনজিংয়ের বেলায় এক কাপ ছোলার ডাল, এক কাপ বেসন সঙ্গে হাফ কাপ চালের গুঁড়া, এক চা চামচ কর্পূর আর হাফ কাপ কফি ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণটি প্রতিদিন মুখে ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বক যেমন উজ্জ্বল হবে, তেমনি ত্বকে থাকা ময়লা দূর হবে খুব সহজে।

টোনিংঃ মুখের ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে ক্লিনজিংয়ের পরের ধাপ-ই টোনিং। অনেকেই এ টোনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনীহা দেখিয়ে থাকেন। আর এ টোনার ব্যবহার না করার ফলে ত্বকে থাকা লোমকূপের মাঝে ধুলা-ময়লা ঢোকার আশঙ্কা রয়ে যায়। সব ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রে দু’কাপ গোলাপের পাপড়ি আর দু’কাপ পুদিনাপাতা আট কাপ পানিতে মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিয়ে চার কাপ হয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে।

আর এ টোনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঠাণ্ডা করে কাচের বোতলে নরমাল ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করা যাবে দশ দিনের মতো। এছাড়া ডিপ ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে বরফ আকারেও ব্যবহার করা যাবে। অন্যদিকে যাদের ত্বক সেনসিটিভ, তাদের ক্ষেত্রে মুলতানি মাটির সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ, পুদিনাপাতা অথবা দূর্বাঘাস মিশিয়ে মিশ্রণটি টোনার আকারে ব্যবহার করতে হবে।

তবে এক্ষেত্রে ডিমের ব্যবহারের জন্য হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। আর যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের ক্ষেত্রে ডিমের কুসুমের সঙ্গে এক টেবিল চামচ বেসন ও হাফ চা চামচ মধু মিশিয়ে ভালো করে মুখে মাখিয়ে পনেরো মিনিটের মতো রেখে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

অন্যদিকে যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের ক্ষেত্রে এক টেবিল চামচ মুগ ডালের বেসন, দু’চামচ নিম পাতার রসের সঙ্গে দূর্বাঘাসের রস দুই চা চামচ মিশিয়ে জ্বাল করে নিয়ে তা মুখে মাখিয়ে শুকিয়ে যাওয়া অবধি অপেক্ষা করে পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে।

ময়েশ্চারাইজারঃ ক্লিনজিং আর টোনার ব্যবহারের পরে মুখের ত্বকের ক্ষেত্রে সর্বশেষ ধাপটি হচ্ছে ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহার। এক্ষেত্রে দুই টেবিল চামচ গ্লিসারিনের সঙ্গে ৮ টেবিল চামচ গোলাপ জল, এক থেকে দশ ফোঁটা অলিভ ওয়েল অথবা নারিকেল তেল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে বোতলে রেখে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে এ ধাপগুলো সকালে এবং সারা দিনের ব্যস্ততা শেষে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্টেপগুলো ফলো করা আবশ্যক। এতে করে আপনার ত্বক যেমন তার হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পাবে, তেমনি ত্বক থাকবে যে কোনো ঋতুতে সুস্থ আর প্রাণবন্ত।

সংগ্রহঃ jugantor.com

গরমে শুষ্ক ত্বকের যত্ন

যাদের ত্বক শুষ্ক তারা গ্রীষ্ম কিংবা শীত মানে না সব সময় তাদের ঠোঁটে একটা ফাটার অনুভূতি দেখা যায় এবং ত্বক শুষ্ক রুক্ষ এবং আদ্রতা হারিয়ে ফেলে। শীতকালে অনেকেই শুষ্ক ত্বকের যত্ন নিয়ে থাকেন কিন্তু গরমকালে সেটির দিকে কেউ এত লক্ষ্য দেয় না সে কারণে শুষ্ক ত্বক দিন দিন আরো রুক্ষ হয়ে ওঠে আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নেব এবং গরমে শুষ্ক ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব সে বিষয়ে আপনাদের সামনে বিশেষ কিছু প্রতিবেদন নিয়ে হাজির হয়েছি।

আরো পড়ুনঃ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় - পায়খানা হচ্ছে না কেন

ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠার কারণঃ

*বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে আমাদের শরীর থেকে বেশির ভাগ পানি ঘামের দ্বারা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। আর সেই পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে না খেলে রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে ওঠে আমাদের ত্বক।

*অনেকে এই সময় দীর্ঘক্ষণ সুইমিং পুলে বা জল আসার মধ্যে ডুবে থেকে কাটান, এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক PH মাত্রা অনেকটাই কমে যায়।যার জন্য ত্বক আরও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়।

*গরম কালে বেশির ভাগ সময়টাই এয়ারকন্ডিশনে কাটাই, এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা অনেকটাই কমে যায় এবং আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠে।

১। মধু গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান এটি আপনার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এর জন্য জলের মধ্যে মধু মিশিয়ে লাগিয়ে নিন।

১৫ মিনিট রেখে দিয়ে এর পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

লেবুররসের সঙ্গেও মুখে, ঘাড়ে এবং হাতে লাগাতে পারেন।

শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি পেতে আপনি গ্লিসারিন ও গোলাপজলে  এই টোনারটি ব্যবহার করে ভালো ফল পেতে পারেন।

২। বিশেষজ্ঞদের মতে গ্লিসারিন আপনার ত্বককে করে তুলবে নরম এবং হাইড্রেট, অন্যদিকে গোলাপ জল আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলবে।

এই প্যাকটি তৈরি করতে ১ চা চামচ বিশুদ্ধ গ্লিসারিনের সঙ্গে ১০০ মিলিলিটার গোলাপ জল ভালো করে মিশিয়ে নিন।

মুখ ও শরীরের ময়েশ্চারাইজ হিসেবে এই মিশ্রণটি ব্যবহার করে ভালো ফল পাবেন।

তাই যাদের শুষ্ক রক্ষা তক তারা আজ থেকে এ টোনারটি ব্যবহার করতে শুরু করুন।

শুষ্ক ত্বকের জন্য আপনি এলোভেরা জেলও ব্যবহার করতে পারেন।

৩। অ্যালোভেরাতে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড আপনার ত্বককে আরও ভালো করে ময়েশ্চারাইজ করতে তুলবে। ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

এর জন্য অ্যালোভেরার জেল বা জুস ত্বকে ভালোকরে লাগান।

এরপর ২০ মিনিট পর সাধারণ জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

এটি ত্বককে তৈলাক্ত করে না, ময়েশ্চারাইজ করবে।

রাতে ত্বকের যত্ন

সারাদিনের কর্মব্যস্ততার জীবনে আমাদের রাতের সময় ত্বকের জন্য বেশি যত্নশীল হয়ে ওঠা জরুরি কারণ রাতের সময় আমাদের ত্বকের কোষগুলো দ্রুত ও বেশি কাজ করে থাকে। তাই রাতে তখন যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব তাই ইতিমধ্যে আপনারা আজকের এই প্রতিবেদনে জানতে পেরেছেন। তাহলে এবার চলো রাতে ত্বকের যত্ন নিতে কি কি করা জরুরী সে বিষয় জেনে নিন।

ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য রাতে একটি স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চলা আপনার জন্য খুবই জরুরী। এতেই আপনার ত্বক ভালো থাকবে এবং জেলা বাড়বে। এর জন্য আপনাকে করি করি টাকা খরচ করার কোন দরকার নেই অল্প টাকাতেই এবং অল্প পরিশ্রমে আপনি ঘরে বসেই রাতে ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন।

মুখ ধোয়া থেকে শুরু করে নাইটক্রিম পর্যন্ত, ধাপে ধাপে এই স্কিনকেয়ার রুটিন ফলো করতে হবে। তাহলেই সুন্দর ও দাগ ছোপহীন ত্বক পেতে পারেন আপনি। কোন কোন ধাপ আপনাকে মেনে চলতে হবে।

  • ক্লিনজার
  • টোনার
  • আইক্রিম
  • নাইটক্রিম বা ময়শ্চারইজার

ক্লিনজিংঃ মুখের যত্নার প্রথম ধাপ হল ক্লিনজিং করা কারণ সারাদিনের কর্মব্যস্ততার জন্য আমাদের মুখে বিভিন্ন ধুলো ময়লা বালি জমে থাকে সেগুলো পরিষ্কার করা অবশ্যই জরুরী। তাই আপনি ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখে ঝাপটা মেরে অবশ্যই মুক্তি পরিষ্কার করে ক্লিনজিং করে নিবেন।

আপনার তৈলাক্ত ত্বক হলে জেল বেসড ক্লিনজার ব্যবহার করুন। এতে আপনার ত্বক ফ্রেশ থাকবে। ত্বক পরিষ্কার থাকলে ত্বকের ভিতর অক্সিজেন পৌঁছাবে। কোনও ভাবেই মুখ ঘষবেন না।

টোনারঃ ক্লিনজিং করার পরেই মুখ পরিষ্কার রাখার পরবর্তী ধাপ হল টোনার ব্যবহার। তবে মুখ পরিষ্কার না করে কখনও টোনার ব্যবহার করবেন না। ক্লিনজিং করেই তবে টোনার ব্যবহার করা উচিত। পরিষ্কার মুখে আমাদের সবসময়ই টোনার ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বক ভালো থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য টোনার খুবই উপযোগী। 

ত্বকের নানা সমস্যাই সমাধান করতে পারে টোনার। কারণ পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হলেই ত্বকে একাধিক সমস্যা দেখা যায়। একটি তুলোর প্যাড নিন। তাতে টোনার নিয়ে ভাল ভাবে ত্বকে লাগিয়ে নিন। তবে ত্বকে ঘষবেন না। গোলাপ জলও টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি যদি দেখেন যে হঠাৎই আপনার মুখ শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে বা আবার হঠাৎ তেলতেলে হয়ে যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে যে, মুখের পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই সময় আপনার প্রয়োজন টোনার। তাই টোনার লাগাতে ভুললে হবে না।

আরো পড়ুনঃ মাথা ভারী হলে করণীয়

আইসক্রিমঃ সারাদিন সবথেকে বেশি চাপ পড়ে আমাদের চোখে। যাঁরা কম্পিউটারে কাজ করেন, তাঁদের চোখের উপর বেশি চাপ পড়ে। আমাদের চোখের চারপাশের চামড়া এমনিই তুলনামূলক বেশি সেন্সিটিভ হয়। সে জন্য চোখের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হলে কালো হয়ে যায়।

আমাদের এই জন্যই চোখে আই ক্রিম লাগানো দরকার। চোখের চারপাশে ভালো করে আই ক্রিম লাগিয়ে নিন। সামান্য় মাসাজ করে নিতে পারেন। এতে চোখের আশপাশের ত্বক রিল্যাক্সড হয়। এতে ঘুমও ভালো হতে পারে। এভাবেই চোখের যত্ন নিন।

নাইট ক্রিম বা ময়শ্চারাইজারঃ আপনি প্রতিদিন শুতে যাওয়ার আগে অবশ্য়ই নাইট ক্রিম লাগিয়ে নিন। গরমকালে বা আপনার ত্বকের ধরন যদি তৈলাক্ত হয় তবে অবশ্য়ই জেল বেসড নাইট ক্রিম লাগিয়ে নিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে কখনও নাইট ক্রিম মিস করবেন না। আর আপনি যদি নাইট ক্রিম নাও লাগাতে চান, তবে ময়শ্চারাইজার মিস করলে চলবে না।

তাই আপনার ত্বকের আদ্রতা যেমন সেরকম আপনাকে ময়েশ্চারাইজার তোকে ব্যবহার করা জরুরী।

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব - গরমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়ঃ শেষ কথা

প্রিয় পাঠকগণ আজকের এই আর্টিকেলে গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব, গরমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়, গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন, প্রতিদিন ত্বকের যত্ন, গরমে শুষ্ক ত্বকের যত্ন, রাতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনারা উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে পেরেছেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল আরো পড়তে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ফলো করুন। কারণ আমাদের ওয়েবসাইটের নিয়মিত এ ধরনের আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Skbd IT এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url