আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ

প্রিয় পাঠক আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এ বিষয়ে জানব অনেকেই আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এ বিষয়ে জানতে গুগলের সার্চ করে থাকেন তারা খুব সহজে আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজে এ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারবেন।

আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এ বিষয়ে আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকি। আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ জানতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে করুন।

সূচিপত্রঃ আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ

আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ

যারা অনেক অর্থ ব্যয় করে প্রতিবছরে আমেরিকা কাজের জন্য যেয়ে থাকেন তারা আমেরিকায় কোন কাজগুলো সব থেকে সহজ এ বিষয়ে জানতে আগ্রহী হয় এবং আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এ বিষয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে তাই আপনাদের প্রশ্নগুলোর সকল উত্তর নিচে আলোচনা করব। আজকের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এবং কোন কাজগুলো চাহিদা বেশি এ বিষয়ে জানতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ সাউথ আফ্রিকা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার উপায় ২০২৪

রেস্টুরেন্টঃ প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ আমেরিকায় পাড়ি জমায় এবং সেখানে রয়েছে বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি রেস্টুরেন্টের কাজ। আমেরিকায় এ কাজগুলো অনেক সহজেই পাওয়া যায়। এবং এ কাজের চাহিদা অনেক বেশি আপনি রেস্টুরেন্টের কাজ করে প্রতিবছর ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। বাংলাদেশের পাশাপাশি আমেরিকান ছেলেমেয়েরাও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে কাজ করে থাকে।

আবাসিক হোটেলে কাজঃ অনেকে আবার সেই হোটেল গুলোতে কাজ করে থাকেন অন্য সব কাজের তুলনায় এখানে কাজ করা অনেক প্রফেশনাল জব থেকেও ভালো এবং সুবিধাজনক। এখানকার স্যালারি বেনিফিট অনেকটাই ভালো এবং অনেক শিক্ষিত মাস্টার্স পাস ছেলেমেয়েগুলো এই আবাসিক হোটেলে কাজ করে থাকে।

অন্য সব জবের মতো এখানে হুট করে আপনার জব ক্যান্সেল হওয়ার কোন ভয় নেই এই ধরনের ইউনিয়ন জবে জব সিকিউরিটি আছে। আপনার চাকরির যেকোন সমস্যাই ইউনিয়নের কাছে সকল তথ্য জমা হবে এবং সে দায়িত্ব করে আপনার নতুন জবের ব্যবস্থা করে দিবে। এবং আপনার নতুন জব না পাওয়া পর্যন্ত আপনি সাপ্তাহিক একটি সেলারি পেতে থাকবেন।

ট্যাক্সি ক্লাবঃ আপনি যদি ড্রাইভিং ভালো করেন তাহলে আমেরিকায় এ কাজটি আপনি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন এই কাজে রয়েছে বেশ কিছু সুবিধা আপনি সপ্তাহে চার পাঁচ দিন ড্রাইভিং করলেই ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পেয়ে যাবেন। আর এই কাজটি বিশেষ করে স্টুডেন্টদের জন্য একটি ভালো কাজ হিসেবে বিবেচিত। এখানে কালো, হলুদ হরেক রকমের ট্যাক্সি আছে।

এই ক্যাব চালাতে আলাদা লাইসেন্স বানাতে হয়, কোন কোন ক্যাব চালাতে হলে আলাদা টেস্ট দিতে হয়। সেই টেস্টে পাশ করলে তখন লাইসেন্স দেয়া হয়। অনেকে নিজস্ব ক্যাব কিনে নিজের ক্যাব নিজে চালায়। অনেকে ট্যাক্সি চালিয়ে এখানে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। যাদের এখানে নিজের একটা ট্যাক্সি আছে তারা অনেক বিলাসবহুল ভাবো জীবন যাপন করে।

ব্যবসাঃ আমেরিকায় বাংলাদেশ অনেক নাগরিক রয়েছে যেখানে তারা স্থায়ীভাবে অনেকদিন ধরে বসবাসরত রয়েছে তারা বিভিন্ন ব্যবসার মাধ্যমে তাদের ক্যারিয়ার করতে পারে। যেমন রেস্টুরেন্ট মুরগির ফার্ম গিফট শট গ্যাসস্টেশন, মোবাইল এক্সোসরিসের দোকান, সেলুন ইত্যাদি । এসব ব্যবসায় যারা কাজ করে তারাও বাঙালি। যারা এসবে কাজ করে তাদের আয় সপ্তাহে ৩০০-৫০০ ডলার। 

সিকিউরিটি জবঃ অনেকের মধ্যে বয়সী রয়েছে যারা আমেরিকায় কাজের জন্য যায় তাদের জন্য সিকিউরিটি জব টা অনেক সুবিধা এবং বেস্ট জব ।এর জন্য তাদের আলাদা ট্রেনিং করে একটা সার্টিফিকেট নিতে হয়। তারা ঘণ্টায় ৮-১৫ ডলার পর্যন্ত আয় করেন।

ভেন্ডারিঃ অনেক বাঙালি ভান্ডারি করে আমেরিকায় অর্থ উপার্জন করছে। ভেন্ডারি মিন রাস্তায় কার্টে করে খাবার বিক্রি করেন। অনেকে আবার ফল, শাক সবজি বিক্রি করেন। এই গুলার জন্য আলাদা ভেন্ডার লাইসেন্স বের করতে হয়। এটা একটা মনো-পলি ব্যবসা, অনেকে এই ব্যবসা করে মিলিনিয়ার। যাদের নিজস্ব ভেন্ডার কার্ট আছে, তারা মানুষ রেখে কাজ করায়। যারা কাজ করে তারাও বাঙালি। তাদেরকে ডেইলি ১০০ ডলার করে দেয়া হয়।

ফাস্টফুড এর দোকানঃ আপনি যদি সহজ কাজ খুঁজে থাকেন তাহলে আপনি সেখানে গিয়ে ফাস্টফুডের দোকান দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।অনেক ফাস্ট ফুডের দোকানে কাজ করে লাইক ম্যাকডোনাল্ড, সাবওয়ে,বার্গার কিং, ডানকিন ডোনাট,ডমিনো পিজা ইত্যাদি। এসবের সেলসে বেশির ভাগ বাঙালি মেয়েরা কাজ করে। ছেলে-মেয়ে যারা কাজ করে কিছুদিন কাজ করে ম্যানেজার হয়ে যায়, সেলসে যারা কাজ করেন তারা ঘণ্টায় ৭.৫০ -১০ ডলার করে আয় করেন ।

ফার্মেসিতে কাজঃ এদেশের ফার্মেসির সাথে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরও থাকে। এখানে অনেকে এসোসিয়েট হিসাবে ৪/৫ বছর কাজ করে স্টোর ম্যানেজার হয়ে যায়। এসব ফার্মেসী ম্যানেজারদের সেলারিও অনেক ভালো। ইয়ারলি ৪০ থকে ৭০ হাজার ডলার।

যারা এসিসটেন্ট ম্যানেজার তাদের সেলারি ইয়ারলি ৩০-৪৫ হাজার ডলার। অনেকে এয়ারপোর্টের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করতে দেখা যায়।অনেকে সেলস এসোসিয়েট হিসাবে বড় বড় কাপড়ের দোকান, গাড়ির দোকান, মোবাইল কোম্পানিতে কাজ করে।

পত্রিকার কাজঃ এখানে অনেক বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা আছে। অনেক বাঙালি খুব সহজেই সেসব পত্রিকায় কাজ করতে পারবেন।

চাইল্ড কেয়ার সেন্টার বা শিশু দেখাশোনাঃ অনেক মহিলারা ঘরে বেবি সিটিং করেন। অনেকে আবার চাইল্ড কেয়ার সেন্টারেও ঘন্টায় ৯-১০ ডলারে কাজ করেন।

আমেরিকায় এ কাজগুলো চাহিদা অনেক বেশি এবং আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা  সব থেকে সহজ এ বিষয়ে যারা জানতে আজকের এই আর্টিকেলটি ওপেন করেছেন তারা উপরের উল্লেখিত কাজগুলো থেকে আপনার অভিজ্ঞতা স্বরূপ যে কোন কাজ বেছে নিতে পারেন।

আমেরিকায় সর্বোচ্চ বেতন কত

সর্বোচ্চ বেতনের দেশ হলো আমেরিকা এবং উচ্চ বেতন লাভের আশায় অনেকেই আমেরিকা ছুটছেন। আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা  সব থেকে সহজ এবং আমেরিকায় সর্বোচ্চ বেতন কত এ বিষয়ে আজকের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ ইউরোপের কোন দেশ স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া সহজ ২০২৪

আমেরিকায় ঘন্টা চুক্তি হিসেবে কাজের বেতন দেওয়া হয়ে থাকে আপনি এক মাসে যত ঘণ্টা কাজ করবেন সে অনুযায়ী আপনাকে বেতন প্রদান করবেন। আমেরিকার সর্বনিম্ন বেতন কত তা আপনাদের ইতিমধ্যে জানিয়েছি কিন্তু আমেরিকায় সর্বোচ্চ বেতন কত এ বিষয়ে জানতে হলে আজকের আর্টিকেলে চোখ রাখুন।

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এদের বেতন আমেরিকা সর্বোচ্চ প্রদান করা হয়।আমেরিকাতে একজন ইঞ্জিনিয়ারের সর্বোচ্চ মাসিক বেতন ১ লাখ ৪৮ হাজার ডলার।তাছাড়া অন্যান্য কাজে যারা জড়িত আছে তাদের সর্বোচ্চ মাসে ১ লাখ ৪৮ হাজার ডলার ধরা হয়।

আমেরিকায় সর্বনিম্ন বেতন কত

বিশ্বের সবচাইতে উন্নত শক্তিশালী দেশ হিসেবে আমেরিকা পরিচিত। প্রবাসীরা অনেক অর্থ উপার্জনের জন্য আমেরিকায় পাড়ি জমিয়ে থাকে আর আমেরিকায় রয়েছে কাজের জন্য সর্বোচ্চ বেতন। বর্তমানে আগের চেয়ে আমেরিকায় কাজের বেতন অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে আমেরিকার কর্মীদের কাজের সর্বনিন্ম বেতন ছিলো ৫.২৫ ডলার।

কিন্তু ২০২৩ সালে এই বেতন বৃদ্ধি করে ৭.২৫ ডলার করা হয়েছে। আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা  সব থেকে সহজ এ বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি। আমেরিকায় সর্বনিম্ন বেতন কত এ বিষয়ে অনেকেই জানতে চাই তাদের জন্য আমরা আমেরিকায় সর্বনিম্ন বেতন সম্পর্কে জানাবো।

আমেরিকার রয়েছে কাজের বিভিন্ন সুবিধা সেখানে কাজ করে আপনি খুব সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আমেরিকায় ঘণ্টা চুক্তি হিসেবে কাজ করানো হয়। আপনি যত ঘন্টা কাজ করবেন কত ঘন্টার কাজের বেতন আপনাকে দেওয়া হবে। এবং মাসে আপনি কত ঘন্টা কাজ করেছেন সেই হিসাব করে আপনাকে বেতন প্রদান করা হবে।

বর্তমানে ২০২৩ সালে আমেরিকার সর্বনিম্ন বেতন ৭.২৫ ডলার প্রতি ঘন্টা। যা বাংলাদেশে ৭৯৫ টাকা। অর্থাৎ একজন কর্মী আমেরিকাতে প্রতি ঘন্টায় সর্বনিন্ম ৭.২৫ ডলার (বাংলাদেশী ৭৯৫ টাকা) আয় করতে পারবেন।

এবং আমেরিকার বেসিক বেতনের কথা যদি জানতে চান তাহলে আমেরিকার একজন কর্মীর বেসিক বেতন সর্বনিন্ম ১ হাজার ২২৩ ডলার। একজন কর্মী আমেরিকাতে কাজ করে মাসে ১,২২৩ ডলার (বাংলাদেশী ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা) বেতন পাবে।

আশা করি আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এবং আমেরিকার সর্বনিম্ন বেতন সম্পর্কে জানতে পেরেছেন ।

আমেরিকায় কোন কাজের বেতন কত

আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ এবং কোন কাজের বেতন কত এই বিষয়ে অনেকেই জানতে আগ্রহী। আমেরিকার যাওয়ার অর্থই হলো অনেক অর্থ উপার্জন করার স্বপ্ন। তাই অনেকেই চাইবে আমেরিকায় গিয়ে কোন কাজের বেতন কেমন সে সম্পর্কে জানা। এবং যে কাজগুলো করে বেশি বেতন পাওয়া যায় অনেকেই সে কাজগুলো করতে বেশি আগ্রহী তাই চলুন যে কাজগুলোর বেতন সবচাইতে বেশি সে কাজগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

শিক্ষক ২ লাখ ৩৪ হাজার ডলার

চিপ এক্সিকিউটিভ ২ লাখ ৬০ হাজার ডলার

নিউরোলজিস্ট ২ লাখ ৬৭ হাজার ডলার

নার্স ২ হাজার ডলার

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ১ লাখ ৪১ হাজার ডলার

কম্পিউটার সিস্টেম ম্যানেজার ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার

ডেন্টিস ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার

কোচ ২ লাখ ৭ হাজার ডলার

ইয়োগাটেইনার ২ লাখ ১৩ হাজার ডলার

আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজঃ শেষ কথা

প্রিয় পাঠকগণ আজকের এই আর্টিকেলে আমেরিকায় কোন কাজগুলো করা সব থেকে সহজ? আমেরিকায় সর্বোচ্চ বেতন কত? আমেরিকায় সর্বনিম্ন বেতন কত? আমেরিকায় কোন কাজের বেতন কত? এই বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। যেহেতু আমরা অনেকেই অস্ট্রেলিয়া যেতে চাই কাজের জন্য সেও তো অবশ্যই আমাদের এই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে রাখতে হবে।

আরো পড়ুনঃ আমেরিকার স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ২০২৪

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ এবং তথ্যমূলক আর্টিকেল নিয়মিত করতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। কারণ আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত এ ধরনের আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Skbd IT এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url